এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ১)

সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করছি আজকের টপিক আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন।


আউটসোর্সিং হল মূলত ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে আয় করা। অনেকে নিজের প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে বিভিন্ন ধরণের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিংয়ের কাজের খোঁজ থাকে, এমন সাইটে যিনি কাজটা করে দেন, তাঁকে বলা হয় কনট্রাকটর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)।আরআ আর আর যিনি কাজ দেন তাকে বলে এমপ্লয়ার(তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)।
সাধারনত, আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এসইও, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসা সেবা ইত্যাদি।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ই-কমার্স, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, ওয়েবসাইট টেস্টিং, ওয়েবসাইট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি কাজ।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে রয়েছে: ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, গেম ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্ট ও ইউটিলিটি, সফটওয়্যার প্লাগ-ইনস, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ইন্টারফেস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকল্প-ব্যবস্থাপনা, সফটরয়্যার টেস্টিং, ভিওআইপি ইত্যাদি।
নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম এর মধ্যে রয়েছে ; নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিবিএ-ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইআরপি/সিআরএম ইমপ্লিমেনটেশন ইত্যাদি কাজ।
রাইটিং ও ট্রান্সলেশন এর মধ্যে রয়েছে: টেকনিক্যাল রাইটিং, ওয়েবসাইট কনটেন্ট, ব্লগ ও আর্টিকেল রাইটিং, কপি রাইটিং, অনুবাদ, ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইত্যাদি।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট এর মধ্যে রয়েছে: ডেটা এন্ট্রি, পারসোনাল অ্যাসিসট্যান্ট, ওয়েব রিসার্চ, ই-মেইল রেসপন্স হ্যান্ডলিং, ট্রান্সক্রিপশন ইত্যাদি কাজ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন