এই গ্যাজেটে একটি ত্রুটি ছিল

শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৩

ফ্রি-ল্যান্সিং সাইটগুলোতে কাজ করতে আপনাকে যা যা করতে হবে

আজ আমরা আলোচনা করবো ফ্রি-ল্যান্সিং সাইটগুলোতে কাজ করতে আপনাদের কি কি করতে হবে।

সাধারণত, ফ্রি-ল্যান্সিং সাইটগুলতে কাজ করতে হলে প্রথমেই আপনাকে কাজে বিড করতে হবে। তবে বিড করার আগে আপনাকে ভেবে দেখতে হবে আপনি আসলে কাজটি  সঠিকভাবে করতে পারবেন কিনা, তবেই আপনি কাজে বিড করবেন। নাহলে, দেখা যাবে আপনি কাজতি ঠিক ভাবে করতে না পারলে বায়ার আপনার উপর বিরক্ত হবে এবং আপনাকে বাজে ফিডব্যাক দিবে যার ফলাফল আপনার জন্য ভালো হবে না। তাই কাজে বিড করার আগে প্রথমেই কাজটি সম্পর্কে ভালভাবে পড়ুন। বুঝতে না পারলে আবারো পড়ুন। ইংরেজি বুঝতে সমস্যা হলে আপনি গুগল ট্রান্সলেটরের সাহায্য নিতে পারেন। এই জন্য এই লিঙ্কটিতে যেতে হবে- translate.google.com . সহজে কাজ পেতে হলে প্রথমে আপনাকে আপনার প্রোফাইল ১০০% পূর্ণ করতে হবে তাহলে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে। তবে নতুনদের জন্য আমার পরামর্শ প্রথম প্রথম কাজ পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই কষ্ট করতে হবে।

আউটসোর্সিং এ সহজেই কাজ পাওয়ার কিছু টিপসঃ
১) প্রথমে কম মূল্যে বিড করবেন।
২) আপনি যেই কাজে দক্ষ শুধু সেই কাজেই বিড করবেন।
৩) পোর্টফোলিও যোগ করবেন।
৪) কোন কাজ না পারলে সেখানে কখনই বিড করা উচিত নয়।
৫) সাধারণত যেসব কাজ একটু কঠিন এবং যেসব কাজে কম বিড পড়ে সে রকম কাজ পাওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। তাই, কাজ শুরু করার আগে সব ধরনের কাজ একটু পর্যবেক্ষণ করে নিজেকে তৈরি করে নিন।
৬) ইন্টারনেটে নানা ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যে কাজই করে থাকুন না কেন, সেটাতে দক্ষ হয়ে উঠলে তবেই কাজের জন্য আবেদন করবেন।
৭) কাজ শুরু করার পুরবে ভালোভাবে বুঝে নিন আপনার  ক্লায়েন্ট কি চায় এবং সে অনুযায়ী কাজে বিড করুন।
৮) আপনাকে অবশ্যই ইন্টারনেটে দক্ষ হতে হবে।
৯) ফিক্সড প্রাইসের কাজের ক্ষেত্রে কাজের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাজ শেষ করুন এবং ক্লায়েন্টের কাছে পাঠিয়ে দিন।
১০) আপনার পুরো কাজটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন ও প্রতিটি ধাপ শেষ হওয়ার পর তা আপনার বায়ার দেখান।

এভাবে আপনি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ পেতে আপনার অনেক সুবিধা হবে এবং আপনি বায়ারদের কাছ থেকে ভালো ফিডব্যাক পাবেন যা পরবর্তীতে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে।

Source: Online Tunes Bangladesh

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

আউটসোর্সিং এর অনলাইন মার্কেটপ্লেসসমূহ

বর্তমান বিশ্বে অনলাইনে কাজ করার জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে oDesk, Freelancer, Elance, Guru এই সাইটগুলো শীর্ষে রয়েছে। তবে এই সাইট গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হল oDesk। এক হিসেবে,২০১২ সালে শুধু ওডেস্কে সাড়ে তিন কোটি ঘণ্টা কাজ হয়েছে। নির্দিষ্ট এবং ঘণ্টাভিত্তিক কাজের জন্য oDesk ই এমপ্লোয়ারদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এর পরই জনপ্রিয় সাইট হল Elance। ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, উচ্চ পর্যায়ের ফ্রিল্যান্স কাজের বাজার নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ইল্যান্স, আর তাই ইবে এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন সাধারণ পর্যায়ের কাজ করার কোনো চুক্তি করা হয় না। এর বিপরীত মত নিয়ে ওডেস্কের প্রধান নির্বাহী গ্যারি সোয়ারট বলেন, বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা সৃজনশীলভাবে মেটাতে পারে বলেই ওডেস্কের অগ্রগতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৃতীয় অবস্থান হিসেবে ফ্রিল্যান্সার সাইটটিকে বর্তমানে মানা হয়। এক দিক থেকে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের হিসেবে এ সাইটটি অন্যান্য সাইট থেকেও শীর্ষে। এ সাইটটিতে বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখের মত নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। কিন্তু সাইটটিতে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের কাজের জন্য এবং পারিশ্রমিক কমের জন্য বর্তমানে এটি পিছিয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ১১)

আজকে আপনাদের সাথে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্কের ঘন্টাভিত্তিক এবং নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের কাজের সম্পর্কে আলোচনা করবো

সাধারণত, ওডেস্কে দুই ধরনের কাজ পাওয়া যায়। কাজগুলো হলো—ঘণ্টাভিত্তিক (আওয়ারলি) এবং নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের কাজ (ফিক্সড প্রাইস)। া 

প্রথমে আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি কোন ধরণের কাজ করবেন। অর্থাৎ, আপনি ঘণ্টাভিত্তিক নাকি ফিক্সড প্রাইসের কাজ করবেন। আপনার কাজটি যদি হয় ফিক্সড প্রাইসের তাহলে আপনি কত ডলারের বিনিময়ে কাজটি করতে চান টা নির্দিষ্ট করে কাজে আপ্লাই করুন। আর আপনি যদি ঘণ্টাভিত্তিক কাজ করতে চান তাহল্র প্রতি ঘণ্টা কত ডলারের বিনিময়ে কাজটি করতে চান তা উল্লেখ করুন। আপনি যদি ঘণ্টাভিত্তিক কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে www.odesk.com/downloads এই ঠিকানা থেকে ওডেস্ক টিম সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিতে হবে। এটি ইনস্টল করার পর সফটওয়্যারটি চালু করে আপনাকে সাইন-ইন করতে হবে। এরপর আপনি যে কাজটি করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Start-এ ক্লিক করবেন। তাহলে, ওই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনার কাজের সময় গণনা শুরু হবে। এই সফটওয়্যারটি কিছুক্ষণ পরপর আপনার কম্পিউটারের স্ক্রিনশট নেবে। এটি প্রতি ঘণ্টায় ছয়টি করে স্ক্রিনশট নেবে। এরপর, সময় গণনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে। আপনার কাজটি শেষ হওয়ার পর বায়ার কম্পিউটারের স্ক্রিনশটগুলো দেখে বুঝতে পারবে যে, আপনি কাজটি ঠিক মত করেছেন কি না। তবে স্ক্রিনশট নেওয়ার সময় আপনি ইচ্ছা করলে দুই-একটা স্ক্রিনশট ডিলিট করে দিতে পারবেন।
আপনার কাজটি শেষ হওয়ার পর বায়ার যখন আপনাকে পেমেন্ট দিয়ে চুক্তি শেষ করবেন, তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে "Buyer's Name" ended your contract। তখন, বায়ার আপনার কাজের মূল্যায়ন বা ফিডব্যাক জানাবেন। আপনিও বায়ারকে একটি ফিডব্যাক দেবেন। পূর্ণমান ৫-এর মধ্যে আপনি বায়ারকে একটি নম্বর দেবেন এবং বায়ারও আপনাকে একটি নম্বর দেবে। কেউ কারোটা আগে দেখতে পাবেন না। উভয় পক্ষ ফিডব্যাক দিলেই কেবল একজন আরেকজনের ফিডব্যাক দেখতে পাবেন। সাধারণত, ৫-এর নিচে কেউই ফিডব্যাক দেয় না। এক্ষেত্রে, আপনি বায়ারের সঙ্গে কাজ করার সময় বুঝতে পারবেন, তার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন এবং তিনি আপনাকে কেমন ফিডব্যাক দিতে পারেন। মনে রাখবেন, ফিডব্যাক নিয়ে আপনি যতটুকু টেনশনে থাকবেন, বায়ারও ঠিক ততটুকু টেনশনে থাকবেন। কারণ, আপনিও বায়ারের মত তাকে বাজে ফিডব্যাক দিতে পারেন। এই ফিডব্যাক আপনার ও বায়ার উভয়েরই প্রোফাইলে যুক্ত থাকবে—যা সবাই দেখতে পাবে। আপনি ভালো ফিডব্যাক পেলে পরবর্তীকালে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে, তাই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি বাজে ফিডব্যাক পান তাহলে আপনি তা মুছে ফেলতে পারবেন। এক্ষেত্রে, আপনি বায়ারের পেমেন্ট ফেরত দিয়ে দিলে আপনার প্রোফাইলে ওই বাজে ফিডব্যাক আর দেখা যাবে না। আপনি নোটিফিকেশন পেইজে "Give Refund" -এ ক্লিক করে বায়ারকে পেমেন্ট ফেরত দিয়ে দিতে পারবেন। সাধারণত, বায়ার আপনাকে আপনার কাজের জন্য পেমেন্ট দেওয়ার পর সেই পেমেন্ট এক সপ্তাহের মতো পেন্ডিং থাকবে। তারপর, এক সপ্তাহ পর পেমেন্ট আপনার ওডেস্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। আপনার ওডেস্ক অ্যাকাউন্ট এ ব্যালেন্স কত আছে এবং পেন্ডিং কত আছে তা দেখতে "Transaction History" -তে ক্লিক করুন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ১০)

ওডেস্কে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের জবে কীভাবে বিড করবেন তা নিয়ে আজ আলোচনা করা হল।

কোনো কাজ যদি হয় ফিক্সড প্রাইসের অর্থাৎ নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের, তাহলে কাজটিতে বিড করার জন্য আপনি ওপরে "Paid to You" -এর ডান পাশের বক্সে কত ডলারের বিনিময়ে কাজটি করতে চান তা লিখুন। এরপর, "Estimated Duration" -এ কাজটি কত দিনের তা নির্বাচন করে দিন। এরপর, "Cover Letter" বক্সে আগে যেমনটি দেখিয়েছিলাম তেমন করে একটি কভার লেটার লিখুন। এরপর, আপনি "Agree to Terms" বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে "Apply to this job" বাটনে ক্লিক করুন। "Upfront payment (optional)" লাগবে না। তবে, "Attachment" এ আপনার করা কন প্রজেক্ট যোগ করে দিতে পারেন। এরপর নতুন পেজ এলে "Yes, I Understand" বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে "Continue to Apply" বাটনে ক্লিক করুন। আপনি দেখবেন আপনার জবে অ্যাপ্লাই করা হয়ে গেছে। তারপর বায়ার আপনার একটি ইন্টারভিউ (মেসেজ আদান-প্রদান) নেওয়ার পর আপনি সিলেক্ট হলে আপনাকে কাজটি করতে দেবে, অর্থাৎ, কাজটির জন্য আপনাকে নির্বাচন করা হবে। এরপর জবটি যখন সক্রিয় হবে, তখন আপনার কাছে একটি নোটিফিকেশন আসবে - Your contract "Facebook" started।
কাজ সম্পর্কিত অথবা কীভাবে কভার লেটার লিখবেন সে ব্যাপারে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের জানাতে পারেন।
e-mail: uday2441139@gmail.com

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৯)

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খোলার পর তাতে কীভাবে জবে বিড করবেন তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল।

ওডেস্কে যখন কোনো জব পোস্ট করা হয় তখন বায়ারের সম্পর্কে জানার জন্য খোঁজ করলে দেখবেন জবের নিচে ডান দিকে বায়ারের সম্পর্কিত তথ্য থাকে। আপনি, যেসব বায়ারের "Payment Method Verified" লেখা আছে, শুধু সেসব বায়ারের জবেই আবেদন করবেন। "Payment Method Verified" কিনা বুঝতে হলে দেখবেন জবের নিচে একটি ডলারের চিহ্ন আছে। তবেই আপনি বুঝবেন বায়ারের "Payment Method Verified" আছে। আপনি প্রথমে কোনো একটি জবের বিজ্ঞাপন ভালোভাবে পড়ার পর এর নিচে দেখবেন "Apply to this job" নামের একটি বাটন আছে, সেখানে ক্লিক করুন। এরপর নতুন একটি পেজ আসবে। এই পৃষ্ঠার ওপরে "Paid to You" -এর ডান পাশের বক্সে ডলারের পরিমাণ লিখুন, অর্থাৎ, আপনি কত ডলারের বিনিময়ে কাজটি করতে চাচ্ছেন। ঘণ্টাভিত্তিক (আওয়ারলি) কাজ হলে প্রতি ঘণ্টায় কত ডলার হারে কাজটি করতে চাচ্ছেন, তা লিখুন। তারপর আপনি "Cover Letter" বক্সে একটি কভার লেটার লিখুন। যেমন, আপনার জবটি ফেসবুক-সম্পর্কিত হলে অর্থাৎ, জবটি যদি হয় ফেসবুকের কোনো পেজে লাইক কালেক্ট করে দেওয়া, তাহলে লিখতে পারেন—
Hi,
I am interested to do your project. I can provide/collect you more than 1000 facebook likes within 0 days. I have more than 4000 facebook friends and also have many facebook groups, pages etc. So I think, I can do your project properly.
Thanks
Your Name
অর্থাৎ জবটি যে সম্পর্কিত হবে সেই সম্পর্কিত একটি কভার লেটার লিঝুন। এছাড়া আপনি এই সম্পর্কিত কোনো কাজ আগে করে থাকলে তা উল্লেখ করুন। আপনি "Attachment" এ কিছু কাজের নমুনা যোগ করে দিতে পারেন, এতে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে। এখন আপনি "Agree to Terms" বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে "Apply to this job" বাটনে ক্লিক করুন। এরপর, নতুন পেজ এলে আপনি "Yes, I Understand" বক্সটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে "Continue to Apply" বাটনে ক্লিক করে আপনার কাজে বিড করুন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৮)

ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথমেই আপনাকে আপনার প্রোফাইল ১০০% পূর্ণ করতে হবে। এরপর আপনি যেভাবে কাজে বিড করবেন তা নিয়েই আজকের প্রিতিবেদন।

ওডেস্কে কাজের জন্য যেভাবে আবেদন করতে হয়: পত্রিকা কিংবা ওয়েবে কন কাজের জন্য আবেদন করার জন্য বলা হলে যেমন অনেকেই তাদের জীবনবৃত্তান্ত পাথিয়ে কাজে আবেদন করেন। এরপর চাকরিদাতারা তাদের মধ্যে থেকে দু-এক জন কে নির্বাচন করে চাকরি দেন, ঠিক তেমনি অনলাইন আউটসোর্সিং সাইটেও যখন কোনো কাজের বিজ্ঞাপন (জব পোস্ট) দেওয়া হয়, তখন অনেকেই তাতে আবেদন করেন। তাদের মধ্য থেকে বায়াররা কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নেন। তারপর, তারা এক বা দুজনকে কাজটি করতে দেন। কাজ পাওয়ার এই প্রক্রিয়াকেই বলে বিডিং বা বিড করা। এখন কথা হল বায়াররা সাক্ষাৎকার নেয় কীভাবে? সাধারণত, আপনাকে ওই সাইটেই বার্তা পাঠানো হবে যে—আপনি কাজটি কত দিন নিয়ে করতে পারবেন, আপনি আগে কখনো এ ধরনের কাজ করেছেন কি না, আপনি কত ডলারের বিনিময়ে কাজটি করে দেবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনিও ফিরতি এক বার্তায় এ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে দেবেন। তারপর আপনাকে তাদের পছন্দ হলে বায়াররা আপনাকে কাজটি করতে দেবে। তবে কোনো কোনো বায়ার স্কাইপ সফটওয়্যারে চ্যাট করতে চায় ফলে, তাই স্কাইপিতে www.skype.com একটা অ্যাকাউন্ট থাকা ভালো। কিন্তু ওখানে একটা কথা আছে ওডেস্ক তাদের এমপ্লয়ার আর বায়ার দের সাধারণত স্কাইপ ব্যাবহার করতে দেয় না। তাই এই ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকবেন। আবার, কেউ কেউ আছেন, যারা চার-পাঁচটি কাজের জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যারা ১০০টি কাজের আবেদন করেও কাজ পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কাজটি করে দেওয়ার জন্য কত কম ডলার চাচ্ছেন এবং আপনি কাজটাতে কেমন অভিজ্ঞ তার ওপর। তাই, কোনো একটা কাজ ওই সাইটে প্রকাশ করার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করা যায়, ততই ভালো। প্রথম-প্রথম আপনি যত বেশি সময় অনলাইনে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কারণ কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো ওয়েবে ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) জমা দিতে হয়। যেমন ধরুন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই আপনি শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করবেন। আপনি প্রতি মিনিটে দেখবেন নতুন নতুন কাজের বিজ্ঞপ্তি দেখা যাচ্ছে।
তাছারা আপনি আপনার কাজের "Project Portfolio" যোগ করতে পারলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৭)

আজ আমরা বরাবরের মতই ওডেস্ক এ আপনার আইডি খোলার পর কি কি করতে হবে তার বাকি অংশটুকু নিয়ে আলোচনা করবো।

আপনি আপনার "সার্টিফিকেশনস" এ কোনো কিছু না দিলে সমস্যা নেই, তবে দিলে যেহেতু ভালো তাই আপনার ইচ্ছা মত কিছু একটা দিয়ে দিন। এখন আপনি দেখবেন, আপনার প্রোফাইল কমপ্লিটনেস আরো বেড়ে গেছে। আপনি যদি আপনার প্রোফাইল কমপ্লিটনেস আরো বাড়াতে চান, তাহলে http://www.odesk.com/tests ঠিকানা থেকে দু-তিনটি টেস্ট দিতে পারেন। তবে আপনি তিন-চারটি টেস্ট দিলেই প্রতি সপ্তাহে ২০টি করে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত, "Basic English test, English spelling test, MS word test, Windows XP test" ইত্যাদি টেস্ট অনেক সহজ হয়ে থাকে যা আপনি দিতে পারেন। এই টেস্টগুলোর উত্তর আপনি গুললে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। আপনি চাইলে ওপরের প্রতিটি সেটিংস যতবার খুশি ততবার পরিবর্তন করতে পারবেন। তাই কোনো কিছু ভুল হলে সমস্যা নেই, তা যেকোনো সময় আবার ঠিক করে নিতে পারবেন। আপনি আগের সেটিংস পরিবর্তন করার জন্য এই সাইটে লগইন করলেই ডান পাশে দেখবেন আপনার নাম এবং ছবির নিচে "Edit Profile" লেখা আছে। না থাকলে ওপর থেকে "Find Work" -এ ক্লিক করলে ডান পাশে তা পেয়ে যাবেন। আপনি সেখানে ক্লিক করলেই সবকিছু আবার পরিবর্তন করতে পারবেন। এখন আপনার প্রোফাইলটি অন্যরা, (বায়ারা) যারা আপনাকে জব দেবেন, তাঁরা কেমন দেখতে পাবেন সেটি দেখার জন্য "Find Work" -এ ক্লিক করলে নিচে ডান পাশে দেখবেন "Your Profile Completeness" -এর নিচে লেখা আছে "View your public profile" । আপনি এখানে ক্লিক করলেই দেখতে পাবেন, আপনার পাবলিক প্রোফাইলটি কেমন। আপনি কীভাবে জব খুঁজবেন, এই সাইটে লগইন করার পর "Find Work" -এ ক্লিক করুন। এখন আপনি সার্চ বক্সে যা যা পারেন, তা তা লিখে সার্চ দিন। আপনি যদি এখানে "Facebook" লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করেন, তাহলে ফেসবুক-সম্পর্কিত অনেকগুলো জবের তালিকা আসবে আপনার সামনে। এবার আপনি একটি-একটি করে কাজগুলোর বর্ণনা পড়ে যেগুলো পারবেন শুধু সেগুলোতেই অ্যাপ্লাই করুন। আপনি আরেকটু কাস্টমাইজ করে সার্চ দিতে চাইলে সার্চ বাটনের পাশে দেখবেন "Advanced" লেখা আছে, সেখানে ক্লিক করুন। এখন, আপনি আপনার পছন্দমতো সার্চ অপশনগুলোতে লিখে এবং চেক বক্সগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে সার্চ দিতে পারেন। এভাবে ড়বেন। "twitter, wordpress, joomla, html, css, javascript, internet, data entry, ms word" ইত্যাদি লিখেও সার্চ দিতে পারেন। তার মানে, আপনি যা যা করতে পারেন, তা তা লিখে সার্চ দিতে পারেন। এভাবেই আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্র খুজে নিতে পারবেন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৬)

আজ আমরা oDesk এ আইডি খোলার পর কি কি করতে হবে তার বাকি অংশ নিয়ে আলোচনা করবো।

ওডেস্ক রেডিনেস পরীক্ষায় পাস করার পর প্রতি সপ্তাহে আপনি ১০টি করে কাজে আবেদন করতে পারবেন। এখন, আপনি আপনার "My Contractor Profile" পেজ এ যান। এখানে আপনি "Add a Skill" -এ ক্লিক করে আপনার স্কিল যোগ করুন। আপনি চাইলে facebook, twitter, google+, data entry, seo  ইত্যাদি যোগ করতে পারেন। এগুলর এক দুটি বর্ণ লিখলেই আপনি অটো সাজেশান পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে সিলেক্ট করে Save করতে হবে। আপনি এখন দেখবেন, আপনার প্রোফাইল আরো ৩০% সম্পন্ন হয়েছে। এরপর, আপনি "Add Employment History" -তে ক্লিক করে আপনি কোনো জব করে থাকলে এখানে যোগ করতে পারেন। না করে থাকলেও ২ থেকে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা আছে বলে উল্লেখ করুন। এখন আপনার প্রোফাইল কমপ্লিটনেস আরো ১০% বাড়বে। আপনার জব অনলাইনেরই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কোনো একটা হলেই হলো। মোটকথা, ওই ঘরটা পূরণ করা আছে কি না, এটাই দেখার বিষয়। এখন, আপনি নিচে "My Public Profile" -এর নিচে "Edit" বাটনে ক্লিক করে নতুন পেজ এলে অনেকগুলো অপশনের মধ্যে "Years of Experience" -এ আপনি যত বছর বা দিন ধরে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফেসবুক ইত্যাদি ব্যবহার করছেন তা সিলেক্ট করে দিতে পারেন। আপনি চাইলে বানিয়েও দিতে পারেন। এই ধরুন, ৩ থেকে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা আছে বহে উল্লেখ করুন। এবার আপনি "English" অপশনে আপনি ইংরেজি কেমন জানেন তা সিলেক্ট করে দিন। সাধারণত, ৫ দিতে পারেন। "Objective" -এ অবজেকটিভ লিখবেন। আপনি তা কীভাবে লিখবেন ব্যাপারটা অবজেকটিভ বক্সের নিচে "Example" এ দেয়া আছে। আপনি "Example" -এ ক্লিক করলেই তা দেখতে পাবেন। আপনি দেখবেন, এখানে কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, এসব প্রোগ্রামিং ভাষা আপনার জানা না থাকলে আপনি নিজের মতো করে ইন্টারনেট, ফেসবুক, ই-মেইল ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে লিখে দিতে পারেন যে, আমি গত তিন-চার বছর ধরে ফেসবুক, ইন্টারনেট ব্যবহার করি, দ্রুত গুগলে সার্চ করতে পারি, দ্রুত টাইপ করতে পারি, এমএস ওয়ার্ড এর কাজ ভালো জানি, ইত্যাদি ইংরেজিতে লিখবেন যা আমি আগেও বলেছি। এরপর তা সেভ করুন। এবার দেখবেন আপনার প্রোফাইল কমপ্লিটনেস আরও ১০% বেড়ে গিয়েছে। এখন আপনি "Education" -এ ক্লিক করে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা যোগ করুন। তারপর আপনি "Portfolio Projects" -এ আপনি আগে কোনো প্রজেক্ট করে থাকলে সেটি যোগ করুন। আপনি আগে কোনো প্রজেক্ট না করে থাকলে Blogger ঠিকানায় গিয়ে আপনার Gmail Account দিয়ে একটি blog খুলে একটি লেখা পোস্ট করলেই আপনার একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাবে। সেটির লিংকটা দিয়ে দিন। মনে রাখবেন Portfolio Projects যোগ করলে আপনার জব পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। এরপর আপনি "Other Experiences" -এ কোনো কিছু থাকলে দিতে পারেন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৫)

oআশা করি সবাই ভালো আছেন। গত পর্বে আমরা অনলাইন মার্কেটপ্লেস oDesk এ আইডি খুলতে হলে কি কি কাজ করতে হয় তা নিয়ে কিছুটা আলোচনা করেছি, আজ বাকিটুকু করবো।
Desk এ আইডি খোলার পর আপনি Title-এ facebook, google+, data entry, twitter, internet, ms word ইত্যাদি লিখে "Save and continue" -তে ক্লিক করুন। এখন, আপনি 4. "Accept the oDesk User Agreement" -এ ক্লিক করুন। এবার নতুন পেইজ এলে "I agree to the terms and conditions" বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে "Save and continue" -তে ক্লিক করুন। এখন, আপনি "Post my profile" বাটনে ক্লিক করুন। এরপর "My Contractor Profile"-এর "My Account Summary" -তে দেখবেন "Title, Portrait, Personal e-mail" ইত্যাদি লিখা আছে। আপনি Portrait-এর ডান পাশের "Upload portrait" -তে ক্লিক করে আপনার ছবি যোগ করুন। ছবি যোগ করলে দেখবেন আপনার প্রোফাইল ২০% সম্পন্ন হয়েছে লেখা আসবে। প্রোফাইল কমপ্লিটনেস যত বেশি হবে, প্রতি সপ্তাহে তত বেশি কাজে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। এছাড়া আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি হবে। এখন আপনি oDesk Ready-এর ডান পাশের "Take the oDesk Readiness Test" -এ ক্লিক করুন। "oDesk Readiness Test"-এর নিচের লেখাগুলো পড়ুন, তারপর "Ready to take the test" বাটনে ক্লিক করুন। oDesk সাইটের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে ৪০ মিনিটের মধ্যে ১১টি প্রশ্নের একটি পরীক্ষা দিতে হবে। উত্তরগুলো প্রশ্নের নিচের লিংকে ক্লিক করলে পাবেন। এই টেস্ট দেওয়ার জন্য "Start test" বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনি নিচে "continue" -তে ক্লিক করে নতুন পেজ এলে "Click here to start the test" বাটনে ক্লিক করুন, টেস্ট শুরু হয়ে যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পাবেন ওই প্রশ্নের নিচের লিংকে ক্লিক করলে। আপনার ১১টি প্রশ্নেরই উত্তর সঠিক হলে এ টেস্টে আপনি পাস করবেন। তবে ফেল করলে আপনার পাবলিক প্রোফাইলে এটি লেখা থাকবে না। আপনি কেবল পাস করলেই এটি লেখা থাকবে। পাস না করলে আপনি আবার যতবার খুশি এই টেস্টটি দিতে পারবেন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৪)

আজ আমরা আউটসোর্সিং করতে গেলে কীভাবে অনলাইন মার্কেটপ্লে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, তা নিয়ে আলোচনা।

ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে প্রথমেই আপনাকে oDeskএই ঠিকানায় গিয়ে ওপরে ডান পাশ থেকে Sign up-এ ক্লিক করুন বা সরাসরি ক্লিক করুন http://www.odesk.com/w/signup.php? ঠিকানায়। এখন, আপনি Freelance Contractor সিলেক্ট করুন। আপনি চাইলে Contractor সিলেক্ট করে Sign up-এ ক্লিক করতে পারেন। তারপর নিচের ফর্মটি পূরণ করে continue-তে ক্লিক করুন। এরপর নতুন পেজ এলে আপ্নাকে 1. Verify your email address-তে ক্লিক করতে হবে। এখন আপনার ই-মেইল আইডিতে সাইন ইন করে দেখবেন নতুন একটি ই-মেইল এসেছে। সেখানে একটি লিংক আছে, সেটাতে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে "Click here to continue" -তে ক্লিক করুন। এখন, আপনি 2. Fill out contact information-তে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে। ফর্মটি পূরণ করে "Save and continue" -তে ক্লিক করুন। এখন, 3. "Complete your oDesk Profile" -এ ক্লিক করুন। একটি নতুন পেজ এলে Job Category-তে আপনি যেই যেই কাজ পারবেন, তা সিলেক্ট করে দিন। এখানে আপনি আপনার কাজের বর্ণনা দিন, যেমন- data entry, html, seo, wordpress, social marketing ইত্যাদি কাজ সিলেক্ট করে দিতে পারেন। নিচে Primary Role থেকে Data Entry Professional সিলেক্ট করে দিতে পারেন। এরপর আপনি "Desired Hourly Rate" -এ যেহেতু আপনি নতুন তাই ২ থেকে ৫ দিতে পারেন। তবে নতুন হিসেবে কোন রেট দেওয়া ভালো তাহলে, কাজ পেতে সুবিধা হবে। এখন আপনি "Availability" -তে আপনি সপ্তাহে কত ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন তা সিলেক্ট করে দিন। নতুন হিসেবে আপনি সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ ঘণ্টা দিতে পারেন।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ৩)

আউটসোর্সিং এর শুরুটা কীভাবে করবেন তা নিয়ে এই হল আমার ধারাবাহিক পর্বের তৃতীয় পর্ব।

আজকের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আমরা জানবো আউটসোর্সিং এ কাজ করার জন্য কোন কাজ করতে হলে কি যোগ্যতা লাগে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট:  সাধারণত, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করতে হলে আপনাকে অবসশই ওয়েবসাইট তৈরি করা জানতে হবে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর বিভিন্ন ভাষা রয়েছে, যেমন ঃ এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভা স্ক্রিপ্ট, পিএইসপি, মাইএসকিউএল ইত্যাদি কাজ ভালোভাবে জানতে হবে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট যেহেতু এক্তি সমন্বিত কাজ তাই এই সবগুলো কাজ ভালভাবে শিখুন তার পর দুই একটা পরীক্ষা দিলে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর কাজ পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই সফটওয়্যার  তৈরি করা জানতে হবে। সফটওয়্যার  তৈরি করার বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন, জাভা, সি শার্প, ভিজুয়াল বেসিক, মাইএসকিউএল, ওরাকল, এসকিউএল সার্ভার ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো কাজ জানতে হবে।
নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেন সিস্টেম: আউটসোর্সিং এর এই বিভাগ এর মধ্যে রয়েছে ডেটাবেইস, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি। এই কাজগুলো ভালোভাবে পারলে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে।
লেখা ও অনুবাদ: এ ধরনের কাজের জন্য আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে, কারিগরি জ্ঞান থাকতে হবে, ওয়েবসাইট, ব্লগ, ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। পরিশেষে আপনার লেখা-লেখির অভ্যাস থাকতে হবে।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট: আউটসোর্সিং এর এই বিভাগের কাজগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ। মূলত কপি পেস্টের কাজ। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট, ব্লগ, ই-মেইল, ফেসবুক, টুইটার, গুগল এসব ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া: ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া এর কাজ করতে হলে আপনাকে গ্রাফিক্সের কাজ জানতে হবে। ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ইন-ডিজাইন, ফ্ল্যাশ ইত্যাদি অবশ্যই জানা লাগবে এবং আপনার গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞান এর সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে।
গ্রাহকসেবা: সাধারণত, এই বিভাগের কাজের জন্য আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। দ্রুত ইংরেজি বলতে পারা এবং লিখতে পারা জানতে হবে।
বিক্রয় ও বিপণন: আউটসোর্সিং এর এই বিভাগ এর কাজ করতে হলে ই-কমার্স সাইটগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইট, ব্লগ, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ (ফেসবুক, টুইটার), বিপণন, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
বিজনেস সার্ভিসেস: এই বিভাগের কাজের জন্য আপনার ব্যবসায়িক জ্ঞান থাকতে হবে। লেনদেনের বিভিন্ন মাধ্যম (পেমেন্ট মেথড) সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ২)

সবাইকে শুভেচ্ছা। আজ আমরা জানবো আউটসোর্সিং এর শুরু করার পর কি কি করতে হবে তার দ্বিতীয় পর্ব। আজ আপনাদের জন্য থাকছে আউটসোর্সিং এর আরো কিছু কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা।

ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া: আউটসোর্সিং এর ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া বিভাগের মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, প্রিন্ট ডিজাইন, থ্রিডি মডেলিং, ক্যাড, অডিও ও ভিডিও প্রোডাকশন, ভয়েস ট্যালেন্ট, অ্যানিমেশন, প্রেজেন্টেশন, প্রকৌশল ও কারিগরি ডিজাইন ইত্যাদি কাজ।
কাস্টমার সার্ভিস:  আউটসোর্সিং এর এই বিভাগ এর মধ্যে রয়েছে কাস্টমার সার্ভিস ও সাপোর্ট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ফোন সাপোর্ট, অর্ডার প্রসেসিং ইত্যাদি কাজ।
বিক্রয় ও বিপণন: আউটসোর্সিং এ বিক্রয় ও বিপণন এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপন, ই-মেইল বিপণন, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন(এসইও), সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং(এসইএম), সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং(এসএমএস), জনসংযোগ, টেলিমার্কেটিং ও টেলিসেল্স, বিজনেস প্ল্যানিং ও মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ ও সার্ভেস, সেলস ও লিড জেনারেশন ইত্যাদি।
বিজনেস সার্ভিসেস: এর মধ্যে আছে অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, এইচআর/পে-রোল, ফাইনানসিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্ল্যানিং, পেমেন্ট প্রসেসিং, লিগ্যাল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কনসাল্টিং, রিক্রুটিং, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ ইত্যাদি। এগুলো সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়ার জন্য কিছু পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা হলঃ—www.odesk.comwww.freelancer.comwww.elance.comwww.getacoder.comwww.guru.com ইত্যাদি সাইট। এই সবগুলো সাইট একই তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো সাইট হল oDesk। বর্তমানে ওডেস্কে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ঘণ্টাভিত্তিক কাজ করার জন্য ওডেস্কই সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট।

আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন (পর্ব ১)

সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করছি আজকের টপিক আউটসোর্সিং এর শুরুটা যেভাবে করবেন।


আউটসোর্সিং হল মূলত ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে আয় করা। অনেকে নিজের প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে বিভিন্ন ধরণের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিংয়ের কাজের খোঁজ থাকে, এমন সাইটে যিনি কাজটা করে দেন, তাঁকে বলা হয় কনট্রাকটর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)।আরআ আর আর যিনি কাজ দেন তাকে বলে এমপ্লয়ার(তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)।
সাধারনত, আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এসইও, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (Customer Service), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসা সেবা ইত্যাদি।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ই-কমার্স, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, ওয়েবসাইট টেস্টিং, ওয়েবসাইট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি কাজ।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে রয়েছে: ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, গেম ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্ট ও ইউটিলিটি, সফটওয়্যার প্লাগ-ইনস, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ইন্টারফেস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকল্প-ব্যবস্থাপনা, সফটরয়্যার টেস্টিং, ভিওআইপি ইত্যাদি।
নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম এর মধ্যে রয়েছে ; নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিবিএ-ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইআরপি/সিআরএম ইমপ্লিমেনটেশন ইত্যাদি কাজ।
রাইটিং ও ট্রান্সলেশন এর মধ্যে রয়েছে: টেকনিক্যাল রাইটিং, ওয়েবসাইট কনটেন্ট, ব্লগ ও আর্টিকেল রাইটিং, কপি রাইটিং, অনুবাদ, ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইত্যাদি।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট এর মধ্যে রয়েছে: ডেটা এন্ট্রি, পারসোনাল অ্যাসিসট্যান্ট, ওয়েব রিসার্চ, ই-মেইল রেসপন্স হ্যান্ডলিং, ট্রান্সক্রিপশন ইত্যাদি কাজ।

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

ওডেস্কে নতুনদের জন্য করনীয়

আজকের এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্য যারা ওডেস্কে নতুন আইডি খুলেছেন কিন্তু কাজ পাচ্ছেন না।
ওডেস্কে কাজ পেতে হলে প্রথমেই আপনাকে আপনার ওডেস্ক প্রোফাইল ১০০% পূর্ণ করতে হবে। আপনার প্রোফাইল ১০০% পূর্ণ করতে পারলে আপনি প্রতি সপ্তাহে ২০ টি করে কাজে বিড করতে পারবেন। আর আপনার আইডি ভেরিফাই করতে ২৫ টির বেশি করে কাজে আবেদন করতে পারবেন। ওডেস্কে কাজ করতে গেলে প্রথমে যেই কাজটি করবেন তা হল আপনি যে কাজটি ভালো করতে পারবেন সেই কাজের বর্ণনা ভালো করে পড়ুন।  প্রয়োজনে দু-তিনবার করে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। পড়া শেষ হলে এইবার আপনি আপনার বায়ার কি চাইছে তা একটি কভার লেটার তৈরি করে কভার লেটারটির শুরুতে রাখুন। কভার লেটারটি এমনভাবে লিখুন যেন আপনি বায়ার কে বুঝিয়ে দিতে পারেন যে, আপনিই উক্ত কাজটি ভালোভাবে করতে পারবেন। আপনি প্রয়োজনে কাজটি কীভাবে করবেন তা উল্লেখ করুন। আপনার ঐ কাজ সর্ম্পকিত কোন নমুনা থাকলে তা যোগ করে দিন। কাজের নমুনা যোগ করে কাজে বিড করলে কাজটি ফিক্সড প্রাইসের হলেও বায়ার আপনাকে পেমেন্ট দিতে বাধ্য থাকবে। এইভাবে কভার লেটার শুরু করে শেষে দিকে বায়ারকে ধন্যবাদ সহ শ্রদ্ধা প্রকাশ করে আপনার পুরোনাম দিবেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে একটি নমুনা দিলাম।
"Dear Sir,
Actually, I have been searching for such a company to work as my own company with long time relationship. Though, I am new on Odesk but I have been working with SEO/Web Development/other for more than three years in a famous IT firm of my country. But now I have decided to work in the freelancer marketplace with foreigners so that I can prove my actual skill.
I am very well in HTML, SEO , Wordpress and Joomla. I am able to do any kind of work and able to show you my ability.
Thank you sir,
Best regards
"Your Name"

এইভাবে আপনি আপনার কভার লেটার শেষ করবেন। এই গেল বিডের কথা। তবে কভার লেটার কখনো বেশি বড় করবেন না। অল্প কথায় শেষ করবেন।
এবের ধরুন, কোনভাবে আপনি যে কাজটিতে বিড করলেন তা পেলেন না, অন্য একজন কাজটি পেল, তাহলে আপনি কি করবেন? প্রথমে বায়ার প্রজেক্টটি ইন্ড করার পূর্বেই আপনি "Widraw This Application" থেকে বিড উইড্রো করুন। পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঐ বিডটি আপনার বিডের সাথে যুক্ত হবে। এভাবে কাজ না পেলেও চিন্তা নাই, আপনি ঐ বিডটি আবার অন্য কোথাও বিড করতে পারবেন। আবার যদি দেখেন যে বায়ার ইন্টারভিউ এর জন্য কয়েকজনকে ডেকেছে কিন্তু আপনাকে ডাকে নি। প্রথমে দেখুন ওরা কত এমাউন্ট এ বিড করলো। যদি দেখেন তারা কম এমাউন্টে বিড করলো তবে, তাহলে আপনিও অ্যামাউন্ট কমিয়ে দিন। তবুও না ডাকলে বিড উইড্রো করুন। কোনো কাজে বিড করার পর আপনি যদি ইন্টারভিউ এর জন্য দাক না পান তাহলে বিডটি ১০ দিনের মধ্যে উইড্রো করে নিন।


এভাবে আপনি কাজে বিড করবেন আর বিড করে কাজ না পেলেও উপরের নিয়মগুলো ফলো করবেন। তাহলে আপনি সপ্তাহে ২০ টি না সপ্তাহে ১০০ টিরও বেশি কাজে বিড করতে পারবেন।

অনলাইন আউটসোর্সিং এর কিছু কাজের ক্ষেত্র

আজ আমি আপনাদের সামনে আউটসোর্সিং এর  কিছু কাজের ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচে দিলাম। আপনারা কাজগুলো চেষ্টা করে দেখতে পারেন :

অ্যামাজন ম্যাকানিকাল টার্ক
নিয়মিত আয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অ্যামাজনের মেকানিকাল টার্ক বেশ ভালো একটি উপায় হতে পারে। এখানে কাজ করে অবশ্য ঘন্টায় কয়েক ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব নয়। তবে এখানে পর্যাপ্ত পরিমানে কাজ রয়েছে। এখানকার বেশির ভাগ কাজ গুলোই শেষ করতে এক মিনিটের চেয়ে কম সময় লাগে। আর এ জন্য আপনি পেতে পারেন কয়েক পেনি করে। এখানে কাজ করে বেশি অর্থ উপার্জন করা না গেলেও কিছু হলেও করতে পারবেন।

নিজস্ব সংগ্রহের ছবি বিক্রি
আপনি ফটোগ্রাফার হলে অনলাইনে আপনি নিজের তোলা অথবা আপনার সংগ্রহের ছবি বিক্রি করতে পারেন। এ ধরণের আরো অনেক সাইট রয়েছে। তবে নিজের সংগ্রহ অনলাইনে দেয়ার আগে কোন ধরণের ছবির চাহিদা ভালো আপনি সেটি আগে যাচাই করে নিন। ছবি নিয়ে যারা কাজ করতে ভালোবাসেন তাদের পক্ষেও অনেক সাইট কাজ করে থাকে। জনপ্রিয় অনেক ছবিই কম্পিউটারের সহযোগিতায় তৈরী করা হয়েছে। তাই দেরি না করে তিনটি সুন্দর ছবি নিয়ে "istockPhoto" সাইট এ পরিদর্শনের জন্য পাঠাতে বসে যান। এতে সাইন আপ করলেই ছবি পাঠানোর সুযোগ পাবেন। এভাবে আপনি নিজের ছবি বিক্রি করে আয় করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্স আর্টিকেল লেখক
অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে এই ক্ষেত্রটিতে আর্থিক সুবিধা খুব বেশি না হলেও এর চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। ২০০ থেকে ৩০০ শব্দের একটি আর্টিকেল লিখেই আর্টিকেল ডিরেক্টরিতে পাঠিয়ে দিতে পারেন। ব্লগার, বিপননকারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ অনেকেই এর গুরুত্বপূর্ন গ্রাহক। আপনি বেশ কয়েকটি আর্টিকেল এক সঙ্গে লিখে প্যাকেজ হিসেবেও এক বা একাধিক গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রতি শব্দ ভিত্তিক মূল্য ধরেও গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী আর্টিকেল লেখা যেতে পারে। গ্রাহকের কাছ থেকে কোন নির্দেশ না পেলে এক্ষেত্রে সফলতার জন্য "Online Writing Jobs", "PoeWar Freelance Jobs" এবং "Writing.com". এর মতো ওয়েব সাইটগুলো ভিজিট করে আপনি আর্টিকেল লিখে কীভাবে আয় করবেন সেই সম্পর্কে ধারনা পেতে পারেন।

অডিও শুনে লেখা
এই কাজটি বেশ সহজ বলে এতে পারিশ্রমিকের পরিমান খুব বেশি নয়। তবে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে এটিও একটি উপায় হিসেবে বিবেচনা করা যায় এ কাজ শুরু করতে oDesk এ সাইনআপ  করুন। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোম্পানির ফোরামে আপনার নিজের কাজের আগ্রহ সম্পর্কে জানাতে পারেন। এজন্য অবশ্য শোনার দক্ষতা এবং ইংরেজি ভাষাতে যথেষ্ট দক্ষতা থাকা লাগবে। তাহলে আপনি এই কাজটি করে বাড়তি আয় করতে পারবেন।

www.ehow.com -তে আর্টিকেল লিখে আয়
keyword research এর মৌলিক বিষয়গুলো যদি আপনার জানা থাকে, তাহলে প্রতি মাসে eHow তে আর্টিকেল লিখে বেশ উল্লেখযোগ্য পরিমানে অর্থ আয় করতে পারেন। এতে আপনার তৈরী করা আর্টিকেল থেকে অর্জিত অর্থের এ্কটি অংশ আপনাকে দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি চাইলে সংশ্লিস্ট বিষয়ে একদিনে একাধিক আর্টিকেলও লিখতে পারেন। এভাবে এক মাস চেষ্টা করুন। গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজ করা হয় এমন আর্টিকেল লিখতে পারলে আপনি প্রতি মাসে বেশ ভালো আয় করতে পারবেন। এখানে সবচেয়ে সুবিধা হচ্ছে একবার আপনার লেখা নির্ভাচিত হলে আপনি মাসের পর মাস সেটা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

কোন পন্যের প্রচারের উপযোগি ভিডিও তৈরী
অনেক গুরুত্বহীন ভিডিও অনলাইনে পন্য বিক্রির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। অনেকেই ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে থাকেন। একটি নির্বাচন করে সেটার উপযোগি ভিডিও তৈরী করে ইউটিউবে ছেড়ে দিন। ভিডিওতে পন্যটির লিঙ্ক দিয়ে দিন। ভিডিওটি শেষে ৩০ সেকেন্ডের একটি স্টিল ফ্রেমে পন্যটি কেনার বিজ্ঞাপন দিয়ে দিন। আপনার ভিডিওটি তথ্যসমৃদ্ধ, মজার এবং প্রয়োজনীয় প্রমানিত হলে আপনিও কিছু পন্য বিক্রি করতে পারেন। এভাবে ভিডিও তৈরি করে আপনি বেশ ভালো আয় করতে পারেন।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয়
আপনার নিজের তৈরি করা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে অন্য সাইটের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করতে পারেন। পে-পার-ক্লিক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন পন্য বিক্রির ওয়েবসাইটের প্রচারণার মাধ্যমে আয় করা যায়। যখন একটি পন্য বিক্রি হবে তখন সে বিক্রির একটি অংশ আপনার একাউন্টে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অনলাইনে বেশ ভালো আয়ের ক্ষেত্র হিসেবে অনেকেই এই কাজটি করে ভালো অবস্থানে আছেন।

স্থানীয় বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনের সুবিধা
আমরা সকলেই জানি ব্যবসায়ীদের প্রতিটা মুহূর্তেই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে কাজ করে যেতে হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অনেকের নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে না। যাদের রয়েছে তারাও সেটা থেকে অনেক সময় আশানুরুপ ফলাফল পান না। এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট তৈরীর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকে তাদের ব্যবসা প্রসারে সহায়তা করতে পারেন। আপনার সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হলে আপনি এর সুফল পাবেন। এভাবে আপনি মাসে ভালো অর্থ আয় করতে পারবেন।

প্লাগইন তৈরী করুন
বর্তমানে বিভিন্ন ব্লগে প্লাগইন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ওয়ার্ডপ্রেস শিখে এসব ব্লগারদের কাছে নতুন নতুন প্লাগইন পাঠানোর মাধ্যমেও আয় করা এখন খুব জনপ্রিয় মাধ্যম। এর আয় একেবারে কম নয়। ব্লগারদের চাহিদা অনুযায়ী প্লাগইন সরবরাহ করার মাধ্যমে একে পূর্নকালীন পেশা হিসেবেও নেয়ে যেতে পারে।

বিশেষ সফটওয়্যার বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠুন
আমাদের দেশে পাইরেসি আইন তেমন কার্যকর নয় বলে আমরা ইচ্ছে মতো সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারছি বলে, বিশেষ প্রয়োজনীয় কোন সফটয়্যারের গুরুত্ব কখনো কমে যায়নি। এক্ষেত্রে প্রয়েজনীয় সফটওয়্যারে বিশেষ দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনেক সময়ই বিভিন্ন কোম্পানিকে বড় ধরণের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়। তাই আপনি সফটওয়্যারে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে বেশ ভালো পরিমান অর্থ আয় করতে পারেন।

অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে এই ধরনের আরো অনেক কাজ আছে যা আপনারা চাইলে করতে পারেন। আপনারা উপরের কাজগুলোও জানা থাকলে করতে পারেন। এভাবে আপনি আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে কাজ করে ভালো অর্থ আয় করতে পারেন।

চাকরির পাশাপাশি আয়ের ক্ষেত্র

অনেকেই চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে আয় করতে চান। তাদের কথা মাথায় রেখেই আজকের আয়োজন।

জাহেদুর রহমান কাজ করেন বাংলাদেশের একটি সফটওয়্যার নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে। তাঁর দক্ষতা প্রোডাক্ট বা মেকানিক্যাল ডিজাইনে। লেখাপড়া শেষ করে প্রয়োজনের তাগিদে চাকরি নিয়েছিলেন তাঁর বর্তমান প্রতিষ্ঠানে। অফিসে পুরো সময় দেওয়ার পর রাতে, সকালে আর ছুটির দিনে অনলাইনে কাজ করেন। জাহেদুর রহমানের ভাষ্য-

"আমি মাসে ২৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করি। কিন্তু গত এক মাসে অনলাইনে কাজ করে আমি বাড়তি ৬৫ হাজার টাকা আয় করেছি। ওডেস্ক আর ইল্যান্স মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ নিই, ডিজাইনের কাজ করি আমি।"

তিনি জানান, অনলাইনে বিভিন্ন কাজের সুযোগ রয়েছে। চাকরির দক্ষতা অনলাইনের কাজে লাগানো যেতে পারে, তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই ধৈর্য থাকতে হবে। অফিস থেকে বের হয়ে আবার কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। ভালো ইংরেজি বুঝতে হবে এবং স্কাইপ, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের ব্যবহার জানতে হবে। অনলাইনে পেশাদার মানসিকতা নিয়ে বসতে হবে। অনলাইনে আয় করাটা খুব সহজ নয়, আবার খুব সহজ। চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে আয়ের জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। প্রথমে কাজ পেতে হয়তো সমস্যা হবে। ‘ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে চাকরির পাশাপাশি আয় করাটা সহজ।’ বললেন জাহেদুর রহমান। তাঁর স্বপ্ন নিজেই এবার উদ্যোক্তা হবেন। একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে নতুনদের কাজ শেখানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন।

তিনি বলেন, তাঁর অনেক বন্ধুই চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে আয় করছেন। তাঁর ভাষ্যে, বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের অনেকেই এখন অফিসের বাইরেও ফ্রিল্যানসিং করছেন। অন্যান্য পেশার ফ্রিল্যানসারদের সংখ্যা কম। তবে উদ্যোগী হলে অনেকেই বাড়তি কিছু আয় করতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজনে কিছু প্রশিক্ষণ নিয়েও কাজ করতে পারেন তাঁরা। দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিকল্পনা বিভাগে কাজ করেন মোবারক হোসেন। প্রথম আলো অনলাইনকে মোবারক হোসেন খান তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, বাড়তি কিছু আয়ের জন্যই তিনি ব্যাংকের চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যানসার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন ২০১১ সালে। ওডেস্ক প্ল্যাটফর্মে প্রতি ঘণ্টায় তাঁর বর্তমান আয় ৩০ ডলার। আর হিসাব করলে সপ্তাহ শেষে এ আয় দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার ২০০ ডলারে। ব্যাংকের পরিকল্পনা বিভাগে কাজ করেন বলে তিনি শুরু থেকেই ওডেস্কে এ ধরনের প্রকল্পের কাজ খুঁজছিলেন। তবে শুরুটা করেন ডাটা এন্ট্রি কাজের মধ্য দিয়ে।

তিনি আরও জানান, ওডেস্ক বা এজাতীয় প্ল্যাটফর্মে বাংলদেশি ফ্রিল্যানসারদের অবস্থান ভালো। ব্যবসার পরিকল্পনা, গ্রাফিকস, মেকানিক্যাল—এসব ক্ষেত্রে খুব কম উপস্থিতি দেখা যায়। ব্যবসার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে বড়জোর তিন-চারটি বিড করা হয়। এখানে সম্ভাবনা আছে। দক্ষতা থাকলে তবেই কাজ শুরু করা উচিত। দক্ষ হয়ে কাজ না করলে দেশি ফ্রিল্যানসারদের কাজের মান নিয়ে সংশয় তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব খুব ভালো না-ও হতে পারে।

এভাবে আপনি চাইলে আপনিও এক সময় বাংলাদেশের আরেকজন জাহেদুর রহমান হতে পারেন অনলাইনে নিজ দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে।